Subscribe to get Updates
Health Insight BD - বিশ্বস্ত স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা তথ্য
  • হোম
  • সকল আর্টিকেল
  • আমার সম্পর্কে
  • প্রয়োজনীয় টুলস
    • ওয়াটার ক্যালকুলেটর
    • ক্যালোরি ক্যালকুলেটর
    • বিএমআই ক্যালকুলেটর
    • জরুরি সহায়তা
  • রক্তদাতা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সকল আর্টিকেল
  • আমার সম্পর্কে
  • প্রয়োজনীয় টুলস
    • ওয়াটার ক্যালকুলেটর
    • ক্যালোরি ক্যালকুলেটর
    • বিএমআই ক্যালকুলেটর
    • জরুরি সহায়তা
  • রক্তদাতা
No Result
View All Result
HealthNews
No Result
View All Result
Home Uncategorized

সাংবাদিকতার একাল-সেকাল: এক ফ্রেমে বিবেকের কঠিন পরীক্ষা

জান্নাতুল বাকেয়া কেকা by জান্নাতুল বাকেয়া কেকা
August 21, 2026
in Uncategorized
0
সাংবাদিকতার একাল-সেকাল: এক ফ্রেমে বিবেকের কঠিন পরীক্ষা
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

সাংবাদিকতার একাল সেকাল! একটি ফ্রেম, এক শিশুর অপেক্ষা—আর সাংবাদিকতার বিবেকের এক কঠিন পরীক্ষা! কেভিন কার্টার “The vultur and the Little Girl”–“এর সেই বিশ্বখ্যাত ফটোগ্রাফি ও সেই ছবি তোলা ও পরবর্তী ঘটনাক্রমকে যেন মনে করিয়ে দেয়।

দ্য ভালচার অ্যান্ড দ্য লিটল গার্ল ” শিরোনাম দূর্ভিক্ষ পীড়িত কঙ্কালসার এক শিশুর ছবি তুলে ইতিহাস হয়ে রয়েছেন৷ যে ছবিতে বন্দী হয়েছিল ক্ষুধা, মৃত্যু এবং একজন সাংবাদিকদের বিবেকের দ্বন্দ্বও। হালের আমলে মাধ্যম বদলেছে। শিশুর স্থলে সন্তান আর ক্যামেরার বদলে মুঠোফোন আবারো যেন মনুষ্যত্ব, বিবেক ও ব্যক্তির বোধহীনতার দ্বন্দ্ব উসকে দিয়েছে।

“The vultur and the Little Girl”-প্রকাশের পর বিবেকের কাছে হেরে গিয়েছিলেন কেভিন কার্টারের মত বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ। বিশ্বময় হইচই ফেলে বিবেকের মুখে কেভিনের তোলা ছবিটা, দেশে দেশে চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ, অস্ত্রের বিপনন, সাম্রাজ্যবাদের আগ্রাসন, মানুষের ভোগী_লোভী_আত্মার ভীড়েও মানুষেরা সংবেদনশীল বিবেক বর্জিত নন সেই বোধটা উসকে দেয়। কেভিন কার্টারের সেই ছবি দেখে বিশ্বময় এই প্রশ্নও উঠে যে, সাংবাদিক শুধু দায়িত্ব পালনে করণীয় করবেন? নাকি ব্যক্তি হিসেবেও পেশাজীবী সাংবাদিকের মানবিক দায়িত্বও রয়েছে তা পালন করা উচিত সেই বিষয়টি নিয়েও সরব হয়ছিল পুরো বিশ্ব।

কেভিন কার্টারে ফোটোগ্রাফি থেকে আজকের মোবাইল সাংবাদিকতা–হয়ত বদলে গেলে মাধ্যম। আর মানুষের বোধের গভীরের মনুষ্যত্বের অদল বদলের হিসেবে হালের বাস্তবতায় নতুন করে সাংবাদিকের দায়িত্ব কর্তব্য নিয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দেয় নগ্নভাবে।যদিও “সিটিজেন জার্নালিজমের” নামে তথ্য_প্রযুক্তির অসম্ভব উৎকর্ষের এই সময়ে হাতে মুঠো ফোন যত্রতত্র ধারণ করার নামই কি “সাংবাদিকতা” কি না সেটা নিয়েও ব্যাপক প্রশ্ন আছে। আরো আছে সাংবাদিকদের পদ প্রতিষ্ঠানের অ্যাক্রিডেশন নিশ্চয় করার বিষয়টিও।

হালের বাস্বতায় নগ্ন বোধহীন এক লজ্জাজনক কার্যক্রমের সমালোচনা করার ভাষাহীন পরিস্থিতিতে সাংবাদিক পেশাজীবি হিসেবে নির্বাক। তখন সঙ্গত কারণেই হাতে মোবাইল মানে কথিত “সিটিজেন জার্নালিজমের”প্রতিনিধি ধরে নিচ্ছি বাধ্য হয়েই। সেই মুঠোফোনে ধারণকারীর কাজে শুধু নারীত্বের নয় মানবতার শালীনতার প্রতি যে লজ্জা_ঘৃণার উদ্রেক হয়েছে তা বিরল।

ধরে নিলাম সেই ব্যক্তিটি সাংবাদিক নন। কিংবা সিটিজেন জার্নালিজম করেন, তাতেও পুরানো প্রশ্নের সাথে নতিন প্রশ্ন জুড়ে গেছে— মানুষ কি অবয়বে দেখতে মানুষের মত নাকি পশুর চেয়েও মানুষেরা অধম।

এতকাল সাংবাদিক কেভিন কার্টারের জগৎখ্যাত ফটোগ্রাফি-“The vultur and the Little Girl”- ঘিরে দায়িত্বশীল অবস্থায় ব্যক্তি সাংবাদিকের করণীয় নিয়ে আলোচনা সমালোচনা হয়ে। ছবিটা মানবের মনুষ্যত্ব, যুদ্ধবাজ রাজনীতিক ও নীতি নিধর্রাকদের বিবকে উসকে দিয়ে ছিলেন। পাশাপাশি ব্যক্তি সাংবাদিকের মনুষ্যত্বের দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই সমালোচনার মূল প্রশ্নটি হলোঃ সাংবাদিক কি দায়িত্বশীল অবস্থায় বোধ বিবেকের কাছে দায় বদ্ধ নন—? সেই দায়িত্ব মনুষ্যত্বের সেই প্রশ্নটি যেন রয়েই গেছে ! হালের দেশে দেশে সমাজ বাস্তবতায় মানুষের নির্বোধ বিকারগ্রস্ত অমানুষিক আচরণে মানব হিসেবে মনুষ্যত্ব খারিজ হবার পরিস্থিতি—!?

জগৎ বিখ্যাত হয়ে উঠা ফটোগ্রাফার কেভিন কার্টারের “The vultur and the Little Girl”– শিরোনামের ছবিটা শুধু দূর্ভিক্ষ দেখায়নি, পৃথিবীর বিবেককে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছিল আজো সেই কতক প্রশ্নের সুরাহা হলো না।

কঙ্কালসার শিশু আর ক্ষুধার্ত শকুনের ছবি তুলে কেভিন অর্জন করেছিলেন পুলিৎজার পুরস্কার। তথাপিও কাজের আনন্দের স্বীকৃতি কেভিনকে শান্তি বা স্বস্তি কোনটাই দিতে পারে নি। বরং অপরাধবোধ থেকে বিষন্নতা উসকে দিয়ে তাঁর জীবনের গতি পথ বদলে দিয়ে জীবন করেছিল সীমিত।

সেই ছবি তোলার সময় কেভিন কার্টার কঙ্কালসার শিশুর পিছে ধেঁয়ে আসা এক শকুনকে খেদিয়ে ছিলেন বটে। তবে ছবি তোলা শেষে সেই শিশুটির পরিণতি কি হয়েছিল সেই খোঁজ কেভিন কার্টান করেন নি। শিশুটিকে তিনি শুকুনের খাবার হওয়ার হাত থেকে পরে রক্ষা করতে পারতেন তা তিনি করেন নি। ছবি তোলা শেষে কেভিন শিশুটির কোন খোঁজ করেন নি। শিশুটি কি শেষ পর্যন্ত শকুনের খাবার হয়েছিল? নাকি পৌঁছে ছিল শরন্নার্থী শিবিরে? জুটেছিল খাদ্য আত্তি আদর যতন সেই পরিস্থিতি যা ছিল অন্যতম করণীয় কিন্তু কেভিন কার্টার সে সবের কিছুই করেন নি বিধায় শুধু মাত্র ছবি তুললেন কিন্তু মানব বা মনুষ্যত্বের পরিচায়ক সেসব কাজের কিছুই কেন করলেন না কেন? কেভিন কার্টারকে সেই প্রশ্নের পর প্রশ্ন চুড়ে দিয়েছিলেন বিশ্বের যে প্রান্তে যেখানেই তিনি গেছেন_গিয়েছিলেন।?!

বিশ্বের সকল প্রান্তের মানুষের তরফে কমন এই প্রশ্নঃ কেভিন ছবি তোলার পর শিশুটিকে শরন্নার্থী শিবিরে পৌঁছে দিতে পারতেন কি না?কঙ্কালসার শিশুটির জন্য তাঁর সেই দায়িত্বটুকু পালন করতেই পারতেন তবো তিনি করেন নি কেন?সেই প্রশ্ন ঘুরে ফিরেই করেছেন নাগরিক সমাজ গণমাধ্যম, নীতিনির্ধারকসহ সাধারণ আজ জনতা। কেভিন কার্টার সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বটে। তাঁর কাজের সুবাধে দূর্ভীক্ষ পীড়িত যুদ্ধ বিধ্বস্ত এক দেশ সুদানে চলমান খাদ্য খরারযুদ্ধ পরিস্থিতির বিরল এবং নির্মম কঠিন এক বাস্ততার খবর দেখেছিল বিশ্ববাসী। কিন্তু ব্যক্তি বা মানুষ হিসেবে কেভিন কার্টার মনুষ্যত্বের পরিচয় দেন নাই কেই সেই জবাবদিহিতা তাঁকে করতে হয়েছে দিনের পর দিন।

অতঃপর কেন সাংবাদিক হিসেবে সংবাদ প্রকাশের বাইরে মানবিক দায়িত্ব পালন করেন নি। অতপর অপরাধবোধ, বিবেকের তাড়নায় কেভিন গভীর অবসাদে নিমজ্জিত হয়ে পরেন! কেভিন কার্টারের মনে গভীরভাবে দাগ কেটেছিল—কেননা বিশ্বে জনে জনে যেখানে গেছেন সেখানেই সকলেই তাঁর সাংবাদিক সত্তা হিসেবে ছবি তুলেই কেন শুধু তাঁর দায়িত্ব কর্তব্য সম্পন্ন করলেন? কেন মানুষ হিসেবে আরেকপ্রস্ত দায়িত্ব পালন করলেন না সেই জবাব হিদিতা তাঁর ভেতরের অপরাধবোধকে আরো উসকে দেয়।

বেদনার গভীরে তার মনো ঢেউ তোলে দেশে দেশে যুদ্ধ,দখল সাম্রাজ্যবাদের আগ্রাসনে সৃষ্ট দারিদ্র পীড়িত জনপদে খাবারে সংকট—দূর্ভিক্ষ। এর ভয়াল পরিণতিতে শিশুদের কঙ্কালসার জীবন বাস্তবতা তাঁকে শেষ পর্যন্ত স্বেচ্ছা মৃত্যু বেছে নেওয়ার দিকেই ধাবিত করে।

“দ্য ভালচার অ্যান্ড দ্য লিটল গার্ল” শিরোনামে ফিচার ফটোগ্রাফিটি পুলিৎজার পুরস্কারপ্রাপ্ত। সেই ছবিটির সৃষ্ট্রা কেভিন কার্টারকে নিয়ে সংগ্রহীত লেখাটি নিচে পড়তে পারেন—!?!

⁉️ মার্চ, ১৯৯৩। দক্ষিণ সুদানের ঊষর প্রান্তর। চাবুক রোদ, গায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া বাতাস। টলোমলো পায়ে এগিয়ে আসছে একরত্তি এক জীবন্ত কঙ্কাল। মেদ-মাংসের বদলে হাড়ের উপরে লেপটে থাকা চামড়ার সান্ত্বনা পুরস্কার। দুর্বল পা কাঁপছে থরথর। হঠাৎ মাথা নিচু করে মাটিতে বসে পড়ল বছর তিনেকের শিশুটি।

একটু দূরেই দাঁড়িয়ে এক যুবক। দক্ষিণ আফ্রিকার চিত্রসাংবাদিক কেভিন কার্টার। হাতে ধরা এসএলআর ক্যামেরা শিশুটির দিকে তাক করলেন তিনি। অভুক্ত, শীর্ণকায় আফ্রিকান শিশু তো লোভনীয় ‘সাবজেক্ট’। কয়েকটা স্ন্যাপ নিয়েছেন, হঠাৎ দেখলেন, শিশুটির ঠিক পিছনে নিঃশব্দে এসে নেমেছে এক শকুন। পায়ে পায়ে এগোচ্ছে তার দিকে। আবার ক্যামেরা তাক করলেন কেভিন। ক্ষুধার্ত, বেপরোয়া শকুন তখন শিশুটির আরও কাছে। কেভিন এগিয়ে গিয়ে ক্যামেরাটাই লাঠির মতো করে শূন্যে ঘোরালেন কয়েক বার। শকুনটি প্রথমে ভ্রুক্ষেপ করল না, কেভিন আরও এগিয়ে যেতে অনিচ্ছায় রণে ভঙ্গ দিল। শিশুটি উঠল, ফের শুরু করল হাঁটা।

পেশাদার সাংবাদিকের আবেগপ্রবণ হওয়ার অবকাশ থাকে না। দাঙ্গা, জীবন্ত পুড়িয়ে মারা— খুব সামনে থেকে দেখেছেন কেভিন। তবু ওই ছবিটা তোলার পর গলার কাছে দলা পাকিয়ে উঠল একটা কষ্ট। চোখে জল। একটার পর একটা সিগারেট খেলেন।

বহু ‘এক্সক্লুসিভ’ ঝুলিতে, কিন্তু দুর্ভিক্ষের সঙ্গে সেটাই প্রথম পরিচয় কেভিনের। মানুষের দুর্দশা যে এত ভয়াবহ হতে পারে, ধারণা ছিল না তাঁর। সুদানে তখন গৃহযুদ্ধ চলছে। সঙ্গী দারিদ্র, দুর্ভিক্ষ। মানুষকে ওই ভাবে মরতে দেখে কেভিন এতই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন, শিশু মেয়েটির খোঁজ নেওয়ার কথা মাথায় আসেনি তাঁর। সে কোথায় গেল, জানার চেষ্টা করেননি।

২৬ মার্চ, ১৯৯৩। নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত হল কেভিন কার্টারের সেই ছবি। ‘দ্য ভালচার অ্যান্ড দ্য লিটল গার্ল’। চার দিকে তোলপাড়। হাজার হাজার চিঠি আর ফোন আসতে শুরু করল দফতরে। সবার প্রশ্ন, শিশুটির পরিণতি কী হল? শকুনেই কি খেল তাকে? না কি নিরাপদ কোনও আশ্রয়ে পৌঁছতে পেরেছিল সে?

কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করলেন কেভিনকে। কেভিন জানালেন, তিনি শকুনটিকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। মেয়েটি উঠে হাঁটতেও শুরু করেছিল। কিন্তু ত্রাণশিবির পর্যন্ত পৌঁছতে পেরেছিল কি না, তিনি জানেন না। কেভিনের উত্তর-সংবলিত বিশেষ ‘এডিটর্স নোট’ ছাপা হল কাগজে। পাঠকের ক্ষোভের আগুনে যেন ঘৃতাহুতি হল। কেভিন শিশুটিকে ওই অবস্থায় ফেলে কী ভাবে চলে এলেন, প্রশ্ন তুললেন পাঠকেরা। অন্যান্য কাগজের সম্পাদকীয়তেও কেভিনের ‘দায়িত্বজ্ঞানহীনতা’ নিয়ে কটাক্ষ করা হল। কেভিন এক বার বলেছিলেন, সেই সময় সুদানের ওই অঞ্চলে অ্যানথ্রাক্স মহামারির আকার নিয়েছিল। বিদেশি সাংবাদিকদের বলা হয়েছিল, তাঁরা যেন স্থানীয় কোনও মানুষকে স্পর্শ না করেন। বলাই বাহুল্য, তাঁর এই যুক্তি কেউ মানতে চাননি। সেন্ট পিটার্সবার্গ টাইমস পরিষ্কার লিখেছিল, ‘মেয়েটির ওই অবস্থা, আর তার সামনে এক জন ক্যামেরার লেন্স অ্যাডজাস্ট করছেন একটা ভাল ফ্রেম পাওয়ার জন্য! ওই শকুনের সঙ্গে ওই লোকটির কি কোনও তফাত আছে?’

কেভিন বুঝলেন, এ ছবিটা তাঁর পিছু ছাড়বে না। যেখানেই যান, সেই এক প্রশ্ন। উত্তর দিতে দিতে তিনি ক্লান্ত, বিপর্যস্ত। যত দিন যায়, অবসাদ তীব্রতর হতে থাকে। অপরাধবোধ আর অনুতাপের চোরকাঁটায় ভিতরটা রক্তাক্ত। ছটফটে যুবকটি দিনভর অন্যমনস্ক।

পরের বছরের গোড়াতেই চমক। পুলিৎজার পুরস্কার ঘোষিত হল। ‘ফিচার ফোটোগ্রাফি’ বিভাগে বিজয়ীর নাম কেভিন কার্টার! অভিনন্দনের বন্যায় ভেসে গেলেন ৩৩ বছরের যুবকটি। কিন্তু, যে দু’টি প্রাণীর জন্য তাঁর এই প্রাপ্তি, সেই ক্ষুধার্ত শকুন আর সেই কঙ্কালসার শিশুটি যে শান্তি দিচ্ছে না তাঁকে!

১৯৯৪ সালের এপ্রিলে কেভিনের পুলিৎজার পাওয়া, আর ওই মাসেই ছবি তুলতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেলেন তাঁর বন্ধু কেন উস্টারব্রোক। সেই কেন, কেভিনের ‘ব্যাং ব্যাং ক্লাব’-এর অন্যতম সদস্য, যুদ্ধ বা গোলাগুলির মধ্যেও গিয়ে ছবি তুলতে যার হাত কাঁপত না এতটুকু! ম্লান হয়ে গেল কেভিনের পুরস্কার জয়ের আনন্দ। ফের ডুবে গেলেন অবসাদে।

তিন মাস বাদে জোহানেসবার্গের কাছে পার্কমোর এলাকায় নিজের গাড়ির মধ্যে পাওয়া গেল কেভিনকে। মৃত। গাড়ির ধোঁয়া বেরনোর নলের সঙ্গে আর একটি পাইপ জুড়ে গাড়ির জানলা দিয়ে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। তার পরে গাড়িতে স্টার্ট দিয়েছিলেন। কিছু ক্ষণের মধ্যেই বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইডে মৃত্যু।

রেখে গিয়েছিলেন একটি সুইসাইড নোট। তাতে লেখা: আমি সত্যিই খুব দুঃখিত। জীবনের যন্ত্রণা সব আনন্দকে এতটাই ম্লান করে দেয় যে, আনন্দ বলে কিছু অনুভব করা যায় না। আমি অবসাদে ডুবে গিয়েছি। চারপাশে বড় দৈন্য… খুনের পর খুন, লাশের পাহাড়, মানুষের রাগ-দুঃখ-যন্ত্রণা, অভুক্ত ও জখম শিশু, বন্দুক-পাগল উন্মাদ, খুনি পুলিশ আর জল্লাদের দল যেন আমাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে। আমি চললাম বন্ধু কেনের সঙ্গে দেখা করতে, যদি ভাগ্যে থাকে। —( সংগ্রহীত–)

 

 

Tags: মাধ্যম বদলেছে কিন্তু সাংবাদিকদের কাজ ও বিবেকের দ্বন্দ্ব আজো একইসাংবাদিকের বিবেক ও কর্মের দ্বন্দ্বসাংবাদিকের মন ও দায়িত্ব
Advertisement Banner
Previous Post

চাণক্যনীতিঃ মানুষ চেনার পাঠ

Next Post

A Trainer Reveals the Best Exercises For a Stronger, Toned Butt

জান্নাতুল বাকেয়া কেকা

জান্নাতুল বাকেয়া কেকা

Next Post

A Trainer Reveals the Best Exercises For a Stronger, Toned Butt

Discussion about this post

Recommended

A Trainer Answers: What’s the Best Workout For Losing Weight?

2 months ago

A Trainer Reveals the Best Exercises For a Stronger, Toned Butt

1 month ago

Don't Miss

শিশুদের এক সুকান্ত ছাড়া আর কে ভেবেছেস?

শিশুদের এক সুকান্ত ছাড়া আর কে ভেবেছেস?

September 30, 2026

শিশুদের হামে মৃত্যু! তীব্র নিউমোনিয়ার ধরণ ধারণের রির্সাচ হওয়া উচিত না?

September 30, 2026

শিশুদের জন্য সুকান্তের ভাবনা

September 23, 2026

A Trainer Reveals the Best Exercises For a Stronger, Toned Butt

August 21, 2026
স্বাস্থ্য ও সাহিত্য শরীর, মন ও মননের খোরাকী

নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্য তথ্য, পুষ্টি, জীবনযাপন, মানসিক সুস্থতা এবং মননশীল সাহিত্যবিষয়ক লেখা সহজভাবে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

দ্রুত লিংক

  • হোম
  • স্বাস্থ্য তথ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
  • ফিটনেস
  • মানসিক স্বাস্থ্য
  • সকল আর্টিকেল

সেবা ও টুলস

  • স্বাস্থ্য সচেতনতা
  • প্রাথমিক চিকিৎসা
  • রক্তদাতা খুঁজুন
  • BMI ক্যালকুলেটর
  • ক্যালরি ক্যালকুলেটর
  • সাহিত্য ও মনন

যোগাযোগ

  • ইমেইল info@healthinsightbd.com
  • ফোন +880 1XXX-XXXXXX
  • ঠিকানা

    ঢাকা, বাংলাদেশ

© ২০২৬ স্বাস্থ্য ও সাহিত্য। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
গোপনীয়তা নীতি ব্যবহারের শর্তাবলি মেডিকেল ডিসক্লেইমার

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • Home
    • Home – Layout 1
    • Home – Layout 2
    • Home – Layout 3
    • Home – Layout 4
    • Home – Layout 5
  • Health
  • Weight Loss
  • Disease
  • Fitness
  • Nutrition
  • Lifestyle

© ২০২৬ স্বাস্থ্য ও সাহিত্য। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
গোপনীয়তা নীতি ব্যবহারের শর্তাবলি মেডিকেল ডিসক্লেইমার