হিংসা_বিদ্বেষ_ধর্ম ও বিজ্ঞান কি বলে?
হিংসাকারীরা নিজের শরীর_মন_আত্মাকে নিজ হাতে জ্বালায়_পোড়ায়!আর কাউকে লাগে না। আব্বা বলতেন, হিংসাকারীদের দেখলে একথাটি স্মরণ করবেঃ “আহারে অভাগা নিজ হাতে নিজের শরীরে_মনে আত্মায়_অন্তরে_আগুন দিচ্ছে! তোমার ক্ষতি করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ!”
উল্টো হিংসাকারীর হৃদয়ের ক্ষয় হবে! মনে জ্বলবে বিদ্বেষের আগুন যা তাকেই পোড়াবে আরেক জনকে নই
হিংসুটের হিংসা থেকে নিরাপদ থাকা বিরাট এক চ্যালেঞ্জের। যদিও পবিত্র কোরআন মহান রাব্বুল আলামিন হিংসা থেকে রক্ষায় করণীয় কি সেই নির্দেশনা দিয়ে রেখেছেন! সুরা ফালাকের পাঁচ নম্বর আয়াতে উল্লেখ করেছে এক প্রার্থনা বাণীঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই! হিংসুকের অনিষ্ট করার নানান কূট কৌশল নিরবে নিভৃতে নানান ষড়যন্ত্র থেকে, যখন যে বা যাহারা হিংসা করে। সূরা ফালাক-আয়াত-৫
প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ সাঃ বলেছেন, হিংসা বিদ্বেষ ত্যাগ করাই প্রকৃত মুসলিমের পরিচয় ও বৈশিষ্ট্য। তিনি তাঁর নিজের বুকের দিকে ইশারা করে দেখিয়ে ছিলেন “এখানেই তাকওয়া, তাকওয়া এখানেই তাকওয়া এখানেই”
আমার বাবা বলতেন, প্রকৃতই যোগ্য, সত্যিকারের মেধাবী, যথেষ্ঠ শিক্ষিত বা শিক্ষার ঘাটতি না থাকলে, কাজে দক্ষ ও কর্মশীল এবং সৎ হলে নারী পুরুষেরা কখনোই আরেকজনকে কাউকে হিংসা করে না। তুমি হিংসার শিকার হলে, মন খারাপ করবে না কারণ জেনো রেখো, যে শুধুমাত্র তুমিই হিংসার শিকার হচ্ছো না। কালে কালে যুগে যুগে বড় মনিষী_জ্ঞানি গুণি_বিদ্যানেরা হিংসার শিকার হয়েছেন। এমনকি আমাদের নবী রাসুলেরাও হিংসা বিদ্বেষের শিকার হয়েছেন।হিং
সা কারীর সাখে কিরকম ব্যবহার করা উচিত এই নিয়ে আব্বা বিভিন্ন মুসলিম সহি হাদিসের আলোকে আমাদের বোঝাতেন। আজ ভাবলে অভাব বিস্মিত হই আব্বা আমাদের শৈশবেই কিভাবে বুঝেছিলেন আমরা যখন কর্মে থাকবো বড় হবো তখনের পরিবেশ হবে হিংসা বিদ্বেষ বিষবাষ্পময়? কেন তিনি আমাদের হজরত আলী রাঃ”র একটি বক্তব্য তুলে ধরে বলতেন, “মানুষের সাথে কম মিশবে! তা না হলে নিজের ব্যক্তি স্বাতন্ত্র ধরে রাখা যাবে না।”
আব্বা কত আগে সেই ছোট্টবেলায় ঠিক আগাম কিভাবে বলে গেছেন আজকের পরিস্থিতি এমন হবে! তিনি বলেছিলেনঃ এমন এক দিন আসবে যখন ভালো, সৎ, ইমানদার চরিত্র ও মেরুদণ্ড ওয়ালা মানুষগুলোকে একাকীই চলতে হবে। পরিস্থিতি এমন হলে উল্লেখিত মানুষেরা নিজেকে আড়াল করে লুকিয়েই চলতে বাধ্য হবে।
তারপরও হিংসা ও বিদ্বেষের শিকার হতেই হবে। তখন মনে রাখবে যে, যারা যতই হিংসা করে, হিংসা থেকে বিদ্বেষের বিষবাষ্প ছড়িয়ে ঘোট পাকায় গ্রুপিং করে দল ভারী করুক তাতে তাদেরই ক্ষতি হবে। কেননা হিংসার নেতিবাচক দিক হলো যাহারা হিংসা করে তারা তাদের নিজেদেরই শরীর ও মনের ক্ষতি করে।
কারণ হিংসা এমন এক আগুন যে আগুনে হিংসাকারী ব্যক্তি নিজে নিজেকেই পোড়ায়! হিংসাকারী ব্যক্তিরা নিজের শরীর মন ও আত্মাকে নিজ হাতে জ্বালিয়ে ছারখারে পোড়ায়! অন্য কাউকে আর লাগে না। হিংসাকারীদের দেখলে কথাটি স্মরণ করবেঃ আহারে অভাগা নিজ হাতে নিজের শরীরে মনে আত্মায় অন্তরে_আগুন দিচ্ছে! তখন তুমি একটি কাজ করবে উল্টো হিংসাকারীদের মঙ্গল ও কল্যাণে দোয়া করবে! ইনশাআল্লাহ তোমার কেউ কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
৩ আগষ্ট ২০২৬.
#জান্নাতুল #বাকেয়া #কেকা
#হিংসা_বিদ্বেষ_প্রতিহিংসা
#fbpost #myclick
